সমঝোতা স্মারক (MOU)
সাধারণত অবাধ্য বাণিজ্যিক অভিপ্রায় নথি — স্পষ্ট non-binding ধারা ও বাধ্যতামূলক ব্যতিক্রমসহ।
এই টেমপ্লেট কীভাবে ব্যবহার করবেন
১) উদ্দেশ্য, ভূমিকা ও সময়রেখা পূরণ করুন। ২) বাণিজ্যিক শর্তকে অবাধ্য রাখতে “non-binding” ধারা রাখুন। ৩) গোপনীয়তা/খরচ/আইন — যেগুলো বাধ্য করতে চান তা স্পষ্ট চিহ্নিত করুন। ৪) পরবর্তী ধাপে আনুষ্ঠানিক চুক্তির খসড়া করুন; শুধু MOU দিয়ে বড় লেনদেন শেষ করবেন না।
আইনি নোট (স্বাক্ষরের আগে পড়ুন)
MOU সাধারণত অভিপ্রায়ের নথি; তবু “shall/agree to pay” জাতীয় ভাষা অনিচ্ছাকৃতভাবে বাধ্যবাধকতা তৈরি করতে পারে। এই নমুনায় বাণিজ্যিক শর্ত অবাধ্য এবং কিছু ধারা বাধ্য (carve-out)। গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতায় আইনজীবী দিয়ে খসড়া চূড়ান্ত করুন।
উৎস/আইন: Contract Act 1872 principles; market practice on non-binding MOUs। পর্যালোচক: Pending lawyer panel review। পরবর্তী পর্যালোচনা: 2026-10-01।
ইন্টারঅ্যাকটিভ খসড়া
ফাঁকা ঘর পূরণ করুন
তথ্য পূরণ করে ডাউনলোড বা প্রিন্ট/পিডিএফ করুন।
সব ঘর
প্রিন্ট ডায়ালগে Destination থেকে “Save as PDF” বা আপনার প্রিন্টার বেছে নিন।
সমঝোতা স্মারক (MOU) তারিখ: [তারিখ] পক্ষসমূহ: ১. [পক্ষ ক নাম], ঠিকানা: [ঠিকানা ক] (“পক্ষ ক”)। ২. [পক্ষ খ নাম], ঠিকানা: [ঠিকানা খ] (“পক্ষ খ”)। ১. উদ্দেশ্য ১.১ পক্ষগণ [সহযোগিতার বিষয়] বিষয়ে সম্ভাব্য সহযোগিতা আলোচনা করতে ইচ্ছুক। ২. অবাধ্যতা (মূল ধারা) ২.১ এই MOU এর বাণিজ্যিক শর্তাবলি (পরিসর, ভূমিকা, সময়রেখা, অর্থায়ন, মূল্য ইত্যাদি) পক্ষগণের আইনগত বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করে না এবং চূড়ান্ত চুক্তি নয়। কোনো পক্ষ শুধু এই MOU এর ভিত্তিতে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারবে না, নিচে উল্লিখিত বাধ্য ধারা ব্যতীত। ৩. বাধ্য ব্যতিক্রম (Binding carve-outs) ৩.১ নিম্নোক্ত ধারাগুলো স্বাক্ষরের তারিখ থেকে আইনগতভাবে বাধ্য: ক) গোপনীয়তা (ধারা ৭); খ) খরচ (ধারা ৮); গ) প্রযোজ্য আইন ও বিরোধ (ধারা ৯)। ৪. পরিসর ও ভূমিকা (অবাধ্য) ৪.১ পরিকল্পিত পরিসর: [পরিসর]। ৪.২ পক্ষ ক-এর ভূমিকা: [ভূমিকা ক]। ৪.৩ পক্ষ খ-এর ভূমিকা: [ভূমিকা খ]। ৫. সময়রেখা ও অর্থায়ন (অবাধ্য) ৫.১ পরিকল্পিত সময়রেখা: [সময়রেখা]। ৫.২ পরিকল্পিত অর্থায়ন/বাজেট: [অর্থায়ন বিবরণ]। ৬. সদ্বিশ্বাসে আলোচনা ৬.১ পক্ষগণ সদ্বিশ্বাসে আলোচনা করে [চূড়ান্ত চুক্তির নাম] শীর্ষক আনুষ্ঠানিক চুক্তির দিকে এগোতে চেষ্টা করবেন। আলোচনা ব্যর্থ হলে কোনো বাধ্যবাধকতা থাকবে না, বাধ্য ধারা ব্যতীত। ৭. গোপনীয়তা (বাধ্য) ৭.১ এই আলোচনায় প্রাপ্ত গোপন তথ্য [গোপনীয়তা মাস] মাস পর্যন্ত গোপন রাখতে হবে, আইনগত প্রকাশ ব্যতীত। ৮. খরচ (বাধ্য) ৮.১ প্রত্যেক পক্ষ নিজ নিজ খরচ বহন করবে, অন্যথায় লিখিতভাবে সম্মত না হলে। ৯. প্রযোজ্য আইন (বাধ্য) ৯.১ এই MOU বাংলাদেশের আইন দ্বারা পরিচালিত হবে। বিরোধ: [ফোরাম]। ১০. সমাপ্তি / walk-away ১০.১ যেকোনো পক্ষ [নোটিশ দিন] দিনের লিখিত নোটিশ দিয়ে এই MOU সমাপ্ত করতে পারবেন। বাধ্য ধারা সমাপ্তির পরও বলবৎ থাকবে। ১১. অংশীদারিত্ব / এজেন্সি নয় ১১.১ এই MOU কোনো পার্টনারশিপ, জয়েন্ট ভেঞ্চার বা এজেন্সি তৈরি করে না। ১২. পরবর্তী ধাপ ১২.১ পরবর্তী ধাপ: [আনুষ্ঠানিক চুক্তির খসড়া / তারিখ / দায়িত্ব]। স্বাক্ষর পক্ষ ক: ____________________ তারিখ: __________ পক্ষ খ: ____________________ তারিখ: __________
ধারাগুলোর সহজ ব্যাখ্যা
পক্ষ ও উদ্দেশ্য
কেন এই সমঝোতা।
অবাধ্য ধারা
বাণিজ্যিক শর্ত আইনত বাধ্য নয়।
বাধ্য ব্যতিক্রম
গোপনীয়তা, খরচ, প্রযোজ্য আইন।
পরিসর ও ভূমিকা
কে কী করবে (অভিপ্রায়)।
সময়রেখা ও অর্থায়ন
পরিকল্পিত সময় ও অর্থ — অবাধ্য।
সদ্বিশ্বাসে আলোচনা
চূড়ান্ত চুক্তির দিকে আলোচনা।
সমাপ্তি
যেকোনো পক্ষ চলে যেতে পারে।
অংশীদারিত্ব নয়
কোনো পার্টনারশিপ/এজেন্সি তৈরি হয় না।
পরবর্তী ধাপ
আনুষ্ঠানিক চুক্তির প্লেসহোল্ডার।
নমুনা
সমঝোতা স্মারক (MOU) তারিখ: [তারিখ] পক্ষসমূহ: ১. [পক্ষ ক নাম], ঠিকানা: [ঠিকানা ক] (“পক্ষ ক”)। ২. [পক্ষ খ নাম], ঠিকানা: [ঠিকানা খ] (“পক্ষ খ”)। ১. উদ্দেশ্য ১.১ পক্ষগণ [সহযোগিতার বিষয়] বিষয়ে সম্ভাব্য সহযোগিতা আলোচনা করতে ইচ্ছুক। ২. অবাধ্যতা (মূল ধারা) ২.১ এই MOU এর বাণিজ্যিক শর্তাবলি (পরিসর, ভূমিকা, সময়রেখা, অর্থায়ন, মূল্য ইত্যাদি) পক্ষগণের আইনগত বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করে না এবং চূড়ান্ত চুক্তি নয়। কোনো পক্ষ শুধু এই MOU এর ভিত্তিতে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারবে না, নিচে উল্লিখিত বাধ্য ধারা ব্যতীত। ৩. বাধ্য ব্যতিক্রম (Binding carve-outs) ৩.১ নিম্নোক্ত ধারাগুলো স্বাক্ষরের তারিখ থেকে আইনগতভাবে বাধ্য: ক) গোপনীয়তা (ধারা ৭); খ) খরচ (ধারা ৮); গ) প্রযোজ্য আইন ও বিরোধ (ধারা ৯)। ৪. পরিসর ও ভূমিকা (অবাধ্য) ৪.১ পরিকল্পিত পরিসর: [পরিসর]। ৪.২ পক্ষ ক-এর ভূমিকা: [ভূমিকা ক]। ৪.৩ পক্ষ খ-এর ভূমিকা: [ভূমিকা খ]। ৫. সময়রেখা ও অর্থায়ন (অবাধ্য) ৫.১ পরিকল্পিত সময়রেখা: [সময়রেখা]। ৫.২ পরিকল্পিত অর্থায়ন/বাজেট: [অর্থায়ন বিবরণ]। ৬. সদ্বিশ্বাসে আলোচনা ৬.১ পক্ষগণ সদ্বিশ্বাসে আলোচনা করে [চূড়ান্ত চুক্তির নাম] শীর্ষক আনুষ্ঠানিক চুক্তির দিকে এগোতে চেষ্টা করবেন। আলোচনা ব্যর্থ হলে কোনো বাধ্যবাধকতা থাকবে না, বাধ্য ধারা ব্যতীত। ৭. গোপনীয়তা (বাধ্য) ৭.১ এই আলোচনায় প্রাপ্ত গোপন তথ্য [গোপনীয়তা মাস] মাস পর্যন্ত গোপন রাখতে হবে, আইনগত প্রকাশ ব্যতীত। ৮. খরচ (বাধ্য) ৮.১ প্রত্যেক পক্ষ নিজ নিজ খরচ বহন করবে, অন্যথায় লিখিতভাবে সম্মত না হলে। ৯. প্রযোজ্য আইন (বাধ্য) ৯.১ এই MOU বাংলাদেশের আইন দ্বারা পরিচালিত হবে। বিরোধ: [ফোরাম]। ১০. সমাপ্তি / walk-away ১০.১ যেকোনো পক্ষ [নোটিশ দিন] দিনের লিখিত নোটিশ দিয়ে এই MOU সমাপ্ত করতে পারবেন। বাধ্য ধারা সমাপ্তির পরও বলবৎ থাকবে। ১১. অংশীদারিত্ব / এজেন্সি নয় ১১.১ এই MOU কোনো পার্টনারশিপ, জয়েন্ট ভেঞ্চার বা এজেন্সি তৈরি করে না। ১২. পরবর্তী ধাপ ১২.১ পরবর্তী ধাপ: [আনুষ্ঠানিক চুক্তির খসড়া / তারিখ / দায়িত্ব]। স্বাক্ষর পক্ষ ক: ____________________ তারিখ: __________ পক্ষ খ: ____________________ তারিখ: __________
আদালতবিডি আইনি তথ্য দেয়, আইনি পরামর্শ নয় এবং কোনো ল ফার্ম নয়। এআই উত্তর ভুল হতে পারে। নির্দিষ্ট বিষয়ে বাংলাদেশের যোগ্য আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করুন। আইনি তথ্য, পরামর্শ নয়