সব টেমপ্লেট
ব্যবসা ও অংশীদারি

অংশীদারি চুক্তি

পার্টনারশিপ অ্যাক্ট ১৯৩২ সচেতন ফার্ম চুক্তি — মূলধন, লাভ-ক্ষতি, ব্যবস্থাপনা, বিলোপ ও রেজিস্ট্রেশন নোটসহ।

এই টেমপ্লেট কীভাবে ব্যবহার করবেন

১) ফার্মের নাম, ব্যবসার ধরন ও অংশীদারদের তথ্য পূরণ করুন। ২) মূলধন ও লাভ-ক্ষতির অনুপাত স্পষ্ট লিখুন (ডিফল্ট সমান ভাগ ওভাররাইড)। ৩) ব্যাংক, ড্রয়িং ও হিসাবের নিয়ম ঠিক করুন। ৪) রেজিস্ট্রেশন না করলে মামলার সীমাবদ্ধতা (ধারা ৬৯) সম্পর্কে আইনজীবীর সাথে কথা বলুন।

আইনি নোট (স্বাক্ষরের আগে পড়ুন)

নমুনা; আইনি পরামর্শ নয়। অংশীদারি আইন, ১৯৩২ প্রযোজ্য হতে পারে — পারস্পরিক অধিকারের ডিফল্ট (যেমন ধারা ১৩ আলোচনা) চুক্তি দিয়ে পরিবর্তন করা যায়। রেজিস্ট্রেশন (ধারা ৫৮–৬৯) না থাকলে অনিবন্ধিত ফার্মের মামলা দায়েরে প্রতিবন্ধকতা থাকতে পারে। নন-কম্পিট ধারা জননীতি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে — সংকীর্ণ রাখুন ও আইনজীবী দেখান। RJSC/Registrar of Firms প্রক্রিয়া স্থানীয়ভাবে যাচাই করুন।

উৎস/আইন: Partnership Act 1932 (incl. mutual rights & registration/suit disability notes)। পর্যালোচক: Pending lawyer panel review। পরবর্তী পর্যালোচনা: 2026-10-01।

ইন্টারঅ্যাকটিভ খসড়া

ফাঁকা ঘর পূরণ করুন

তথ্য পূরণ করে ডাউনলোড বা প্রিন্ট/পিডিএফ করুন।

সম্পন্ন0/30
ধাপ 10/30

সব ঘর

প্রিন্ট ডায়ালগে Destination থেকে “Save as PDF” বা আপনার প্রিন্টার বেছে নিন।

লাইভ ডকুমেন্ট প্রিভিউ0% সম্পূর্ণ
অংশীদারি চুক্তিপত্র (Partnership Deed)

তারিখ: [তারিখ]

১. ফার্ম
১.১ ফার্মের নাম: [ফার্মের নাম]।
১.২ প্রধান কার্যালয়: [প্রধান স্থান]।
১.৩ ব্যবসার ধরন: [ব্যবসার প্রকৃতি]।
১.৪ ব্যবসা শুরুর তারিখ: [শুরুর তারিখ]।

২. অংশীদারগণ
২.১ অংশীদার ১: [অংশীদার ১ নাম], ঠিকানা: [ঠিকানা ১], এনআইডি: [এনআইডি ১]।
২.২ অংশীদার ২: [অংশীদার ২ নাম], ঠিকানা: [ঠিকানা ২], এনআইডি: [এনআইডি ২]।
২.৩ (প্রয়োজনে) অংশীদার ৩: [অংশীদার ৩ নাম], ঠিকানা: [ঠিকানা ৩]।

৩. মূলধন
৩.১ অংশীদার ১ এর মূলধন: টাকা [মূলধন ১]।
৩.২ অংশীদার ২ এর মূলধন: টাকা [মূলধন ২]।
৩.৩ অতিরিক্ত মূলধন: পক্ষগণের লিখিত সম্মতিতে।

৪. লাভ ও ক্ষতি
৪.১ লাভ-ক্ষতি ভাগ: অংশীদার ১ [লাভ ভাগ ১]% ; অংশীদার ২ [লাভ ভাগ ২]% ; (প্রয়োজনে) অংশীদার ৩ [লাভ ভাগ ৩]%।
৪.২ নোট: চুক্তিতে অনুপাত না থাকলে আইনের ডিফল্টে সমান ভাগ আলোচনা হয় — এখানে স্পষ্ট অনুপাত দিয়ে তা ওভাররাইড করা হলো।

৫. ব্যবস্থাপনা ও ব্যাংক
৫.১ দৈনন্দিন ব্যবস্থাপনা: [ব্যবস্থাপনার নিয়ম]।
৫.২ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত (ঋণ, সম্পত্তি বিক্রি, নতুন অংশীদার): সকল অংশীদারের লিখিত সম্মতি।
৫.৩ ব্যাংক হিসাব: [ব্যাংকের নাম ও শাখা]; স্বাক্ষরকারী: [স্বাক্ষর নিয়ম]।

৬. ড্রয়িং ও হিসাব
৬.১ মাসিক ড্রয়িং সীমা: টাকা [ড্রয়িং সীমা] (লাভের অগ্রিম হিসেবে সমন্বয়যোগ্য)।
৬.২ হিসাব বই সঠিকভাবে রাখা হবে; আর্থিক বছর: [আর্থিক বছর]।

৭. প্রবেশ, অবসর ও মৃত্যু
৭.১ নতুন অংশীদার: সকলের সম্মতি ও মূলধন/ভাগ পুনর্নির্ধারণ সাপেক্ষে।
৭.২ অবসর: [অবসর নোটিশ দিন] দিনের লিখিত নোটিশ।
৭.৩ মৃত্যু: উত্তরাধিকারী স্বয়ংক্রিয় অংশীদার হবেন না, চুক্তি/সম্মতি ব্যতীত।
৭.৪ গুডউইল: মূল্যায়ন পদ্ধতি [গুডউইল পদ্ধতি] — বিরোধ হলে আইনজীবী/মূল্যায়নকারী নিয়োগ করুন।

৮. বিলোপ ও সম্পদ প্রয়োগ
৮.১ বিলোপ: পক্ষগণের সম্মতি, ব্যবসা অসম্ভব হওয়া, বা আইন অনুযায়ী।
৮.২ সম্পদ প্রয়োগের সাধারণ ক্রম (আইন/চুক্তি সাপেক্ষে): বাহ্যিক ঋণ → অংশীদারদের অগ্রিম → মূলধন ফেরত → অবশিষ্ট লাভ ভাগ।

৯. নন-কম্পিট (সতর্কতা)
৯.১ ঐচ্ছিক সংকীর্ণ নিষেধ: অবসরের পর [ননকম্পিট মাস] মাস এবং [ভূগোল] এলাকায় সমজাতীয় ব্যবসায় প্রতিযোগিতা না করা। জননীতি ও প্রয়োগযোগ্যতা ঝুঁকিপূর্ণ — আইনজীবী ছাড়া চূড়ান্ত করবেন না।

১০. রেজিস্ট্রেশন সুপারিশ
১০.১ পক্ষগণ ফার্ম রেজিস্ট্রার/প্রাসঙ্গিক কর্তৃপক্ষের কাছে নিবন্ধনের চেষ্টা করবেন।
১০.২ অংশীদারি আইন, ১৯৩২ এর ধারা ৬৯ সংক্রান্ত আলোচনায় অনিবন্ধিত ফার্মের কিছু মামলা দায়েরে প্রতিবন্ধকতা থাকতে পারে — যাচাই করুন।

১১. প্রযোজ্য আইন
১১.১ বাংলাদেশের আইন প্রযোজ্য। বিরোধ: [ফোরাম]।

স্বাক্ষর ও সাক্ষী

অংশীদার ১: ____________________ তারিখ: __________
অংশীদার ২: ____________________ তারিখ: __________
(অংশীদার ৩: ____________________ )

সাক্ষী ১: [সাক্ষী ১] ____________
সাক্ষী ২: [সাক্ষী ২] ____________

ধারাগুলোর সহজ ব্যাখ্যা

  • ফার্ম ও ব্যবসা

    নাম, স্থান, ব্যবসার ধরন, শুরুর তারিখ।

  • অংশীদার ও মূলধন

    নাম/ঠিকানা এবং মূলধন অবদান।

  • লাভ-ক্ষতি

    ভাগের অনুপাত — সমান ডিফল্ট ওভাররাইড।

  • ব্যবস্থাপনা ও ব্যাংক

    সিদ্ধান্ত, স্বাক্ষর ও ব্যাংক হিসাব।

  • ড্রয়িং ও হিসাব

    উত্তোলন ও হিসাবরক্ষণ।

  • প্রবেশ/অবসর/মৃত্যু

    নতুন অংশীদার ও অবসর; গুডউইল নোট।

  • বিলোপ

    বিলোপ ও সম্পদ প্রয়োগের ক্রম।

  • নন-কম্পিট সতর্কতা

    সংকীর্ণ রাখুন; জননীতি ঝুঁকি।

  • রেজিস্ট্রেশন

    নিবন্ধন সুপারিশ ও ধারা ৬৯ নোট।

  • আইন ও স্বাক্ষর

    বাংলাদেশ আইন; সাক্ষী।

নমুনা

অংশীদারি চুক্তিপত্র (Partnership Deed)

তারিখ: [তারিখ]

১. ফার্ম
১.১ ফার্মের নাম: [ফার্মের নাম]।
১.২ প্রধান কার্যালয়: [প্রধান স্থান]।
১.৩ ব্যবসার ধরন: [ব্যবসার প্রকৃতি]।
১.৪ ব্যবসা শুরুর তারিখ: [শুরুর তারিখ]।

২. অংশীদারগণ
২.১ অংশীদার ১: [অংশীদার ১ নাম], ঠিকানা: [ঠিকানা ১], এনআইডি: [এনআইডি ১]।
২.২ অংশীদার ২: [অংশীদার ২ নাম], ঠিকানা: [ঠিকানা ২], এনআইডি: [এনআইডি ২]।
২.৩ (প্রয়োজনে) অংশীদার ৩: [অংশীদার ৩ নাম], ঠিকানা: [ঠিকানা ৩]।

৩. মূলধন
৩.১ অংশীদার ১ এর মূলধন: টাকা [মূলধন ১]।
৩.২ অংশীদার ২ এর মূলধন: টাকা [মূলধন ২]।
৩.৩ অতিরিক্ত মূলধন: পক্ষগণের লিখিত সম্মতিতে।

৪. লাভ ও ক্ষতি
৪.১ লাভ-ক্ষতি ভাগ: অংশীদার ১ [লাভ ভাগ ১]% ; অংশীদার ২ [লাভ ভাগ ২]% ; (প্রয়োজনে) অংশীদার ৩ [লাভ ভাগ ৩]%।
৪.২ নোট: চুক্তিতে অনুপাত না থাকলে আইনের ডিফল্টে সমান ভাগ আলোচনা হয় — এখানে স্পষ্ট অনুপাত দিয়ে তা ওভাররাইড করা হলো।

৫. ব্যবস্থাপনা ও ব্যাংক
৫.১ দৈনন্দিন ব্যবস্থাপনা: [ব্যবস্থাপনার নিয়ম]।
৫.২ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত (ঋণ, সম্পত্তি বিক্রি, নতুন অংশীদার): সকল অংশীদারের লিখিত সম্মতি।
৫.৩ ব্যাংক হিসাব: [ব্যাংকের নাম ও শাখা]; স্বাক্ষরকারী: [স্বাক্ষর নিয়ম]।

৬. ড্রয়িং ও হিসাব
৬.১ মাসিক ড্রয়িং সীমা: টাকা [ড্রয়িং সীমা] (লাভের অগ্রিম হিসেবে সমন্বয়যোগ্য)।
৬.২ হিসাব বই সঠিকভাবে রাখা হবে; আর্থিক বছর: [আর্থিক বছর]।

৭. প্রবেশ, অবসর ও মৃত্যু
৭.১ নতুন অংশীদার: সকলের সম্মতি ও মূলধন/ভাগ পুনর্নির্ধারণ সাপেক্ষে।
৭.২ অবসর: [অবসর নোটিশ দিন] দিনের লিখিত নোটিশ।
৭.৩ মৃত্যু: উত্তরাধিকারী স্বয়ংক্রিয় অংশীদার হবেন না, চুক্তি/সম্মতি ব্যতীত।
৭.৪ গুডউইল: মূল্যায়ন পদ্ধতি [গুডউইল পদ্ধতি] — বিরোধ হলে আইনজীবী/মূল্যায়নকারী নিয়োগ করুন।

৮. বিলোপ ও সম্পদ প্রয়োগ
৮.১ বিলোপ: পক্ষগণের সম্মতি, ব্যবসা অসম্ভব হওয়া, বা আইন অনুযায়ী।
৮.২ সম্পদ প্রয়োগের সাধারণ ক্রম (আইন/চুক্তি সাপেক্ষে): বাহ্যিক ঋণ → অংশীদারদের অগ্রিম → মূলধন ফেরত → অবশিষ্ট লাভ ভাগ।

৯. নন-কম্পিট (সতর্কতা)
৯.১ ঐচ্ছিক সংকীর্ণ নিষেধ: অবসরের পর [ননকম্পিট মাস] মাস এবং [ভূগোল] এলাকায় সমজাতীয় ব্যবসায় প্রতিযোগিতা না করা। জননীতি ও প্রয়োগযোগ্যতা ঝুঁকিপূর্ণ — আইনজীবী ছাড়া চূড়ান্ত করবেন না।

১০. রেজিস্ট্রেশন সুপারিশ
১০.১ পক্ষগণ ফার্ম রেজিস্ট্রার/প্রাসঙ্গিক কর্তৃপক্ষের কাছে নিবন্ধনের চেষ্টা করবেন।
১০.২ অংশীদারি আইন, ১৯৩২ এর ধারা ৬৯ সংক্রান্ত আলোচনায় অনিবন্ধিত ফার্মের কিছু মামলা দায়েরে প্রতিবন্ধকতা থাকতে পারে — যাচাই করুন।

১১. প্রযোজ্য আইন
১১.১ বাংলাদেশের আইন প্রযোজ্য। বিরোধ: [ফোরাম]।

স্বাক্ষর ও সাক্ষী

অংশীদার ১: ____________________ তারিখ: __________
অংশীদার ২: ____________________ তারিখ: __________
(অংশীদার ৩: ____________________ )

সাক্ষী ১: [সাক্ষী ১] ____________
সাক্ষী ২: [সাক্ষী ২] ____________

আদালতবিডি আইনি তথ্য দেয়, আইনি পরামর্শ নয় এবং কোনো ল ফার্ম নয়। এআই উত্তর ভুল হতে পারে। নির্দিষ্ট বিষয়ে বাংলাদেশের যোগ্য আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করুন। আইনি তথ্য, পরামর্শ নয়

অংশীদারি চুক্তি | আদালতবিডি