আবাসিক বাড়ি ভাড়া চুক্তি
আবাসিক বাড়ি/ফ্ল্যাট ভাড়ার জন্য বাংলাদেশ-সংশ্লিষ্ট দ্বিভাষিক চুক্তি — ভাড়া, জামানত, নোটিশ ও দায়িত্বসহ। (দোকান/অফিসের জন্য আলাদা বাণিজ্যিক টেমপ্লেট দেখুন।)
এই টেমপ্লেট কীভাবে ব্যবহার করবেন
১) নিচের ফাঁকা ঘরগুলো পূরণ করুন। ২) জিনিসপত্রের তালিকা (ফ্যান, আলমারি ইত্যাদি) আলাদা পাতায় যোগ করুন। ৩) দুই পক্ষ ও সাক্ষী স্বাক্ষর করুন; সম্ভব হলে কপি দুই পক্ষে রাখুন। ৪) উচ্চ অগ্রিম/জটিল শর্ত থাকলে স্বাক্ষরের আগে আইনজীবীর পরামর্শ নিন। ৫) দোকান/অফিস ভাড়ার জন্য “বাণিজ্যিক / অফিস ভাড়া চুক্তি” টেমপ্লেট ব্যবহার করুন — এটি শুধু আবাসিক।
আইনি নোট (স্বাক্ষরের আগে পড়ুন)
এটি সাধারণ নমুনা, আইনি পরামর্শ নয়। বাংলাদেশে প্রাঙ্গণ ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯১ এবং সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ প্রাসঙ্গিক হতে পারে। ধারা ১০ অনুযায়ী রেন্ট কন্ট্রোলারের লিখিত অনুমতি ছাড়া এক মাসের বেশি অগ্রিম ভাড়া দাবি/গ্রহণ নিষিদ্ধ হতে পারে — বাজারে বেশি অগ্রিম চালু থাকলেও তা আইনসম্মত কিনা যাচাই করুন। স্ট্যাম্প/রেজিস্ট্রেশন প্রয়োজন হলে স্থানীয় নিয়ম দেখুন।
উৎস/আইন: Premises Rent Control Act 1991; Transfer of Property Act 1882 s.106 (defaults)। পর্যালোচক: Pending lawyer panel review। পরবর্তী পর্যালোচনা: 2026-10-01।
ইন্টারঅ্যাকটিভ খসড়া
ফাঁকা ঘর পূরণ করুন
তথ্য পূরণ করে ডাউনলোড বা প্রিন্ট/পিডিএফ করুন।
বাড়িওয়ালা
মালিকের পরিচয় — ভাড়াটিয়ার অংশ থেকে আলাদা রাখা হয়েছে।
ভাড়াটিয়া
ভাড়াটিয়ার পরিচয় — বাড়িওয়ালার অংশ থেকে আলাদা রঙ ও ধাপে।
প্রাঙ্গণ ও মেয়াদ
কোন বাড়ি/ফ্ল্যাট এবং কতদিনের জন্য ভাড়া।
ভাড়া, অগ্রিম ও জামানত
টাকার অঙ্ক ও পরিশোধের নিয়ম — অগ্রিম আইনি সতর্কতা মনে রাখুন।
নোটিশ ও ফেরত
পরিদর্শন নোটিশ, চুক্তি সমাপ্তি ও জামানত ফেরতের সময়।
সাক্ষী
দুই সাক্ষীর নাম — স্বাক্ষর কাগজে হবে।
প্রিন্ট ডায়ালগে Destination থেকে “Save as PDF” বা আপনার প্রিন্টার বেছে নিন।
বাড়ি ভাড়া চুক্তিপত্র (আবাসিক) এই চুক্তি [চুক্তির তারিখ] খ্রিষ্টাব্দে নিম্নলিখিত পক্ষদ্বয়ের মধ্যে সম্পাদিত হলো: ১. বাড়িওয়ালা: [বাড়িওয়ালার পূর্ণ নাম], পিতা/স্বামী: [বাড়িওয়ালার পিতা/স্বামী], ঠিকানা: [বাড়িওয়ালার ঠিকানা], মোবাইল: [বাড়িওয়ালার মোবাইল], জাতীয় পরিচয়পত্র/পাসপোর্ট: [বাড়িওয়ালার এনআইডি/পাসপোর্ট] (এরপর “বাড়িওয়ালা”)। ২. ভাড়াটিয়া: [ভাড়াটিয়ার পূর্ণ নাম], পিতা/স্বামী: [ভাড়াটিয়ার পিতা/স্বামী], ঠিকানা: [ভাড়াটিয়ার বর্তমান ঠিকানা], মোবাইল: [ভাড়াটিয়ার মোবাইল], জাতীয় পরিচয়পত্র/পাসপোর্ট: [ভাড়াটিয়ার এনআইডি/পাসপোর্ট] (এরপর “ভাড়াটিয়া”)। অনুচ্ছেদ ১ — প্রাঙ্গণ ১.১ বাড়িওয়ালা নিম্নোক্ত আবাসিক প্রাঙ্গণ ভাড়াটিয়াকে ভাড়া দিলেন: [বাড়ি/ফ্ল্যাট নম্বর], তলা: [তলা], এলাকা: [এলাকা], জেলা: [জেলা] (এরপর “প্রাঙ্গণ”)। ১.২ প্রাঙ্গণের সাথে সংযুক্ত ফিটিংস/আসবাব: [তালিকা বা “পৃথক ইনভেন্টরি সংযুক্ত”]। অনুচ্ছেদ ২ — উদ্দেশ্য ২.১ প্রাঙ্গণ শুধুমাত্র আবাসিক কাজে ব্যবহার করা হবে। বাণিজ্যিক/অফিস ব্যবহার বাড়িওয়ালার পূর্বলিখিত অনুমতি ছাড়া নিষিদ্ধ। অনুচ্ছেদ ৩ — মেয়াদ ৩.১ ভাড়ার মেয়াদ: [শুরুর তারিখ] হতে [শেষের তারিখ] পর্যন্ত। ৩.২ নবায়ন: উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতিতে এবং নতুন ভাড়া/শর্ত নির্ধারণ সাপেক্ষে। অনুচ্ছেদ ৪ — ভাড়া ও পরিশোধ ৪.১ মাসিক ভাড়া: টাকা [মাসিক ভাড়া] ([কথায়])। ৪.২ পরিশোধের তারিখ: প্রতি মাসের [পরিশোধের দিন] তারিখের মধ্যে। ৪.৩ পরিশোধ পদ্ধতি: [নগদ/ব্যাংক/মোবাইল ব্যাংকিং — বিবরণ]। ৪.৪ বিলম্ব: নির্ধারিত তারিখের [বিলম্বের দিনসংখ্যা] দিন পর বিলম্ব হলে বাড়িওয়ালা লিখিত নোটিশ দিতে পারবেন এবং চুক্তি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারবেন। অনুচ্ছেদ ৫ — অগ্রিম ও জামানত (গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা) ৫.১ অগ্রিম ভাড়া: টাকা [অগ্রিম অঙ্ক]। ৫.২ নিরাপত্তা জামানত: টাকা [জামানত অঙ্ক] (ক্ষতি/বকেয়া সমন্বয় সাপেক্ষে ফেরতযোগ্য)। ৫.৩ সতর্কতা: প্রাঙ্গণ ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯১ এর ধারা ১০ অনুযায়ী রেন্ট কন্ট্রোলারের পূর্বলিখিত অনুমতি ছাড়া এক মাসের বেশি অগ্রিম ভাড়া দাবি বা গ্রহণ নিষিদ্ধ হতে পারে। পক্ষগণ নিজ দায়িত্বে আইনসম্মততা যাচাই করবেন। অনুচ্ছেদ ৬ — ইউটিলিটি ও মেরামত ৬.১ বিদ্যুৎ/গ্যাস/পানি/ইন্টারনেট বিল: [ভাড়াটিয়া/বাড়িওয়ালা/ভাগ] বহন করবেন। ৬.২ দৈনন্দিন ছোট মেরামত: ভাড়াটিয়া; কাঠামোগত/বড় মেরামত: বাড়িওয়ালা — অবহেলাজনিত ক্ষতি ব্যতীত। অনুচ্ছেদ ৭ — উপভাড়া, অতিথি ও পরিবর্তন ৭.১ বাড়িওয়ালার লিখিত অনুমতি ছাড়া উপভাড়া/সাবলেট নিষিদ্ধ। ৭.২ কাঠামো পরিবর্তন, দেয়াল ভাঙা বা স্থায়ী স্থাপনা স্থাপন নিষিদ্ধ, অনুমতি ব্যতীত। অনুচ্ছেদ ৮ — শান্তিপূর্ণ দখল ও প্রবেশ ৮.১ ভাড়াটিয়া শান্তিপূর্ণভাবে প্রাঙ্গণ ভোগ করতে পারবেন, চুক্তি ও আইন সাপেক্ষে। ৮.২ বাড়িওয়ালা যুক্তিসঙ্গত [পরিদর্শন নোটিশ (ঘণ্টা/দিন)] পূর্ব নোটিশ দিয়ে দিনের বেলায় পরিদর্শন করতে পারবেন; জরুরি ক্ষেত্রে নোটিশ শিথিল হতে পারে। অনুচ্ছেদ ৯ — সমাপ্তি ও নোটিশ ৯.১ যেকোনো পক্ষ [সমাপ্তি নোটিশের দিনসংখ্যা] দিনের লিখিত নোটিশ দিয়ে চুক্তি সমাপ্ত করতে পারবেন, অন্য শর্ত সাপেক্ষে। ৯.২ চুক্তিতে নোটিশ না থাকলে সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ধারা ১০৬ এর ডিফল্ট নিয়ম প্রাসঙ্গিক হতে পারে (আবাসিক মাস-প্রতি-মাস ভাড়ায় সাধারণত ১৫ দিনের নোটিশ উল্লেখ থাকে) — স্থানীয় পরামর্শ নিন। অনুচ্ছেদ ১০ — হস্তান্তর ও জামানত ফেরত ১০.১ মেয়াদ শেষে ভাড়াটিয়া চাবি ও প্রাঙ্গণ পরিষ্কার অবস্থায় ফেরত দিবেন। ১০.২ বকেয়া ভাড়া/প্রমাণিত ক্ষতি কেটে জামানত [জামানত ফেরতের দিন] দিনের মধ্যে ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। অনুচ্ছেদ ১১ — বিরোধ ও প্রযোজ্য আইন ১১.১ প্রথমে পারস্পরিক আলোচনা; ব্যর্থ হলে বাংলাদেশের উপযুক্ত আদালত/ফোরাম। ১১.২ এই চুক্তি বাংলাদেশের আইন দ্বারা পরিচালিত হবে। অনুচ্ছেদ ১২ — সম্পূর্ণ চুক্তি ১২.১ এই দলিল (এবং সংযুক্ত ইনভেন্টরি) পক্ষদ্বয়ের সম্পূর্ণ সমঝোতা। মৌখিক প্রতিশ্রুতি বাতিল বলে গণ্য, লিখিত সংশোধন ব্যতীত। স্বাক্ষর বাড়িওয়ালা: ____________________ তারিখ: __________ ভাড়াটিয়া: ____________________ তারিখ: __________ সাক্ষী ১: নাম [সাক্ষী ১] স্বাক্ষর ____________ সাক্ষী ২: নাম [সাক্ষী ২] স্বাক্ষর ____________ সংযুক্তি-ক: জিনিসপত্র/ফিটিংসের তালিকা (প্রয়োজনে আলাদা পাতা)।
ধারাগুলোর সহজ ব্যাখ্যা
পক্ষসমূহ
বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার পূর্ণ পরিচয় — নাম, ঠিকানা, যোগাযোগ।
প্রাঙ্গণের বিবরণ
কোন ফ্ল্যাট/বাড়ি ভাড়া দেওয়া হচ্ছে এবং কী কী আসবাব/ফিটিংস অন্তর্ভুক্ত।
উদ্দেশ্য
সাধারণত শুধু আবাসিক ব্যবহার; বাণিজ্যিক ব্যবহার আলাদা অনুমতি চায়।
মেয়াদ ও নবায়ন
শুরু ও শেষ তারিখ এবং নবায়নের শর্ত।
ভাড়া ও পরিশোধ
মাসিক ভাড়া, তারিখ, পদ্ধতি এবং বিলম্বের ফল।
অগ্রিম/জামানত
অগ্রিম ও জামানতের অঙ্ক; আইনি সীমা ও ফেরতের শর্ত।
ইউটিলিটি ও মেরামত
বিদ্যুৎ/গ্যাস/পানি কার এবং ছোট/বড় মেরামত কার দায়িত্ব।
উপভাড়া ও পরিবর্তন
সাবলেট নিষেধ এবং কাঠামো পরিবর্তনের অনুমতি।
প্রবেশাধিকার
বাড়িওয়ালা যুক্তিসঙ্গত নোটিশ দিয়ে পরিদর্শন করতে পারবেন।
সমাপ্তি ও নোটিশ
চুক্তি শেষ করার নোটিশের মেয়াদ; চুক্তি না থাকলে আইনের ডিফল্ট প্রযোজ্য হতে পারে।
হস্তান্তর ও জমা ফেরত
চাবি ও জিনিসপত্র ফেরত এবং জামানত সমন্বয়।
বিরোধ ও আইন
বাংলাদেশের আইন প্রযোজ্য; বিরোধে আলোচনা/আদালত।
নমুনা
বাড়ি ভাড়া চুক্তিপত্র (আবাসিক) এই চুক্তি [চুক্তির তারিখ] খ্রিষ্টাব্দে নিম্নলিখিত পক্ষদ্বয়ের মধ্যে সম্পাদিত হলো: ১. বাড়িওয়ালা: [বাড়িওয়ালার পূর্ণ নাম], পিতা/স্বামী: [বাড়িওয়ালার পিতা/স্বামী], ঠিকানা: [বাড়িওয়ালার ঠিকানা], মোবাইল: [বাড়িওয়ালার মোবাইল], জাতীয় পরিচয়পত্র/পাসপোর্ট: [বাড়িওয়ালার এনআইডি/পাসপোর্ট] (এরপর “বাড়িওয়ালা”)। ২. ভাড়াটিয়া: [ভাড়াটিয়ার পূর্ণ নাম], পিতা/স্বামী: [ভাড়াটিয়ার পিতা/স্বামী], ঠিকানা: [ভাড়াটিয়ার বর্তমান ঠিকানা], মোবাইল: [ভাড়াটিয়ার মোবাইল], জাতীয় পরিচয়পত্র/পাসপোর্ট: [ভাড়াটিয়ার এনআইডি/পাসপোর্ট] (এরপর “ভাড়াটিয়া”)। অনুচ্ছেদ ১ — প্রাঙ্গণ ১.১ বাড়িওয়ালা নিম্নোক্ত আবাসিক প্রাঙ্গণ ভাড়াটিয়াকে ভাড়া দিলেন: [বাড়ি/ফ্ল্যাট নম্বর], তলা: [তলা], এলাকা: [এলাকা], জেলা: [জেলা] (এরপর “প্রাঙ্গণ”)। ১.২ প্রাঙ্গণের সাথে সংযুক্ত ফিটিংস/আসবাব: [তালিকা বা “পৃথক ইনভেন্টরি সংযুক্ত”]। অনুচ্ছেদ ২ — উদ্দেশ্য ২.১ প্রাঙ্গণ শুধুমাত্র আবাসিক কাজে ব্যবহার করা হবে। বাণিজ্যিক/অফিস ব্যবহার বাড়িওয়ালার পূর্বলিখিত অনুমতি ছাড়া নিষিদ্ধ। অনুচ্ছেদ ৩ — মেয়াদ ৩.১ ভাড়ার মেয়াদ: [শুরুর তারিখ] হতে [শেষের তারিখ] পর্যন্ত। ৩.২ নবায়ন: উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতিতে এবং নতুন ভাড়া/শর্ত নির্ধারণ সাপেক্ষে। অনুচ্ছেদ ৪ — ভাড়া ও পরিশোধ ৪.১ মাসিক ভাড়া: টাকা [মাসিক ভাড়া] ([কথায়])। ৪.২ পরিশোধের তারিখ: প্রতি মাসের [পরিশোধের দিন] তারিখের মধ্যে। ৪.৩ পরিশোধ পদ্ধতি: [নগদ/ব্যাংক/মোবাইল ব্যাংকিং — বিবরণ]। ৪.৪ বিলম্ব: নির্ধারিত তারিখের [বিলম্বের দিনসংখ্যা] দিন পর বিলম্ব হলে বাড়িওয়ালা লিখিত নোটিশ দিতে পারবেন এবং চুক্তি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারবেন। অনুচ্ছেদ ৫ — অগ্রিম ও জামানত (গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা) ৫.১ অগ্রিম ভাড়া: টাকা [অগ্রিম অঙ্ক]। ৫.২ নিরাপত্তা জামানত: টাকা [জামানত অঙ্ক] (ক্ষতি/বকেয়া সমন্বয় সাপেক্ষে ফেরতযোগ্য)। ৫.৩ সতর্কতা: প্রাঙ্গণ ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯১ এর ধারা ১০ অনুযায়ী রেন্ট কন্ট্রোলারের পূর্বলিখিত অনুমতি ছাড়া এক মাসের বেশি অগ্রিম ভাড়া দাবি বা গ্রহণ নিষিদ্ধ হতে পারে। পক্ষগণ নিজ দায়িত্বে আইনসম্মততা যাচাই করবেন। অনুচ্ছেদ ৬ — ইউটিলিটি ও মেরামত ৬.১ বিদ্যুৎ/গ্যাস/পানি/ইন্টারনেট বিল: [ভাড়াটিয়া/বাড়িওয়ালা/ভাগ] বহন করবেন। ৬.২ দৈনন্দিন ছোট মেরামত: ভাড়াটিয়া; কাঠামোগত/বড় মেরামত: বাড়িওয়ালা — অবহেলাজনিত ক্ষতি ব্যতীত। অনুচ্ছেদ ৭ — উপভাড়া, অতিথি ও পরিবর্তন ৭.১ বাড়িওয়ালার লিখিত অনুমতি ছাড়া উপভাড়া/সাবলেট নিষিদ্ধ। ৭.২ কাঠামো পরিবর্তন, দেয়াল ভাঙা বা স্থায়ী স্থাপনা স্থাপন নিষিদ্ধ, অনুমতি ব্যতীত। অনুচ্ছেদ ৮ — শান্তিপূর্ণ দখল ও প্রবেশ ৮.১ ভাড়াটিয়া শান্তিপূর্ণভাবে প্রাঙ্গণ ভোগ করতে পারবেন, চুক্তি ও আইন সাপেক্ষে। ৮.২ বাড়িওয়ালা যুক্তিসঙ্গত [পরিদর্শন নোটিশ (ঘণ্টা/দিন)] পূর্ব নোটিশ দিয়ে দিনের বেলায় পরিদর্শন করতে পারবেন; জরুরি ক্ষেত্রে নোটিশ শিথিল হতে পারে। অনুচ্ছেদ ৯ — সমাপ্তি ও নোটিশ ৯.১ যেকোনো পক্ষ [সমাপ্তি নোটিশের দিনসংখ্যা] দিনের লিখিত নোটিশ দিয়ে চুক্তি সমাপ্ত করতে পারবেন, অন্য শর্ত সাপেক্ষে। ৯.২ চুক্তিতে নোটিশ না থাকলে সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ধারা ১০৬ এর ডিফল্ট নিয়ম প্রাসঙ্গিক হতে পারে (আবাসিক মাস-প্রতি-মাস ভাড়ায় সাধারণত ১৫ দিনের নোটিশ উল্লেখ থাকে) — স্থানীয় পরামর্শ নিন। অনুচ্ছেদ ১০ — হস্তান্তর ও জামানত ফেরত ১০.১ মেয়াদ শেষে ভাড়াটিয়া চাবি ও প্রাঙ্গণ পরিষ্কার অবস্থায় ফেরত দিবেন। ১০.২ বকেয়া ভাড়া/প্রমাণিত ক্ষতি কেটে জামানত [জামানত ফেরতের দিন] দিনের মধ্যে ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। অনুচ্ছেদ ১১ — বিরোধ ও প্রযোজ্য আইন ১১.১ প্রথমে পারস্পরিক আলোচনা; ব্যর্থ হলে বাংলাদেশের উপযুক্ত আদালত/ফোরাম। ১১.২ এই চুক্তি বাংলাদেশের আইন দ্বারা পরিচালিত হবে। অনুচ্ছেদ ১২ — সম্পূর্ণ চুক্তি ১২.১ এই দলিল (এবং সংযুক্ত ইনভেন্টরি) পক্ষদ্বয়ের সম্পূর্ণ সমঝোতা। মৌখিক প্রতিশ্রুতি বাতিল বলে গণ্য, লিখিত সংশোধন ব্যতীত। স্বাক্ষর বাড়িওয়ালা: ____________________ তারিখ: __________ ভাড়াটিয়া: ____________________ তারিখ: __________ সাক্ষী ১: নাম [সাক্ষী ১] স্বাক্ষর ____________ সাক্ষী ২: নাম [সাক্ষী ২] স্বাক্ষর ____________ সংযুক্তি-ক: জিনিসপত্র/ফিটিংসের তালিকা (প্রয়োজনে আলাদা পাতা)।
আদালতবিডি আইনি তথ্য দেয়, আইনি পরামর্শ নয় এবং কোনো ল ফার্ম নয়। এআই উত্তর ভুল হতে পারে। নির্দিষ্ট বিষয়ে বাংলাদেশের যোগ্য আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করুন। আইনি তথ্য, পরামর্শ নয়