সব বিষয়

ভোক্তার অধিকার

বাংলাদেশে একজন ভোক্তা হিসেবে আপনি ভেজাল পণ্য, ওজনে কম, মিথ্যা বিজ্ঞাপন ও অতিরিক্ত মূল্য থেকে সুরক্ষিত। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী আপনি একটি নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করতে এবং কিছু ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারেন।

কোন কাজগুলো ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘন?

ভেজাল বা নকল পণ্য বিক্রি, ওজনে বা পরিমাপে কম দেওয়া, নির্ধারিত বা লেখা দামের চেয়ে বেশি নেওয়া, মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন এবং মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি — সবই অপরাধ। কোনো বিক্রেতা পণ্য বা সেবার গুণ, পরিমাণ বা দাম নিয়ে প্রতারণা করলে তা লঙ্ঘন এবং আপনি অভিযোগ করতে পারেন।

সূত্র: ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯

ভোক্তা অভিযোগ কীভাবে দাখিল করব?

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে (DNCRP) অভিযোগ করুন। সাধারণত ঘটনার ৩০ দিনের মধ্যে রসিদ, ছবি, মোড়ক বা বিজ্ঞাপনের মতো প্রমাণসহ অভিযোগ দাখিল করতে হয়। অভিযোগ লিখিতভাবে জমা দেওয়া যায়, এবং অধিদপ্তর তদন্ত করে বিক্রেতাকে শাস্তি দিতে পারে। রসিদ ও অভিযোগের কপি রাখুন।

সূত্র: ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯

ভোক্তা হিসেবে আমি কি ক্ষতিপূরণ পেতে পারি?

হ্যাঁ, কিছু ক্ষেত্রে। বিক্রেতার আইন লঙ্ঘনের কারণে আপনি ক্ষতিগ্রস্ত হলে আদালতের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারেন। আদায়কৃত জরিমানার একটি অংশ অভিযোগকারীকে দেওয়া হতে পারে। ত্রুটিপূর্ণ পণ্য বা অবহেলাজনিত ক্ষতির জন্য দেওয়ানি ক্ষতিপূরণের মামলাও করা যায়।

সূত্র: ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯

আদালত BD আইনি তথ্য দেয়, আইনি পরামর্শ নয়। নির্দিষ্ট বিষয়ে একজন যোগ্য আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করুন। আইনি তথ্য, পরামর্শ নয়