সব বিষয়

ডিজিটাল নিরাপত্তা

অনলাইনে প্রতারিত, হয়রানি বা পরিচয় অপব্যবহারের শিকার হলে আইন আপনাকে প্রতিকার দেয়। অনলাইন প্রতারণা, পরিচয় চুরি এবং কারও ছবি বা পরিচয় অপব্যবহার সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ ও দণ্ডবিধি, ১৮৬০ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। দ্রুত প্রমাণ সংরক্ষণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

অনলাইনে প্রতারিত হলে আমি কী করব?

দ্রুত পদক্ষেপ নিন এবং প্রমাণ সংরক্ষণ করুন। চ্যাট, প্রোফাইল, লেনদেন ও পেমেন্টের পরিষ্কার স্ক্রিনশট নিন এবং তারিখ, মোবাইল নম্বর ও অ্যাকাউন্টের তথ্য লিখে রাখুন। নিকটস্থ থানা বা সাইবার ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করুন; পুলিশের সাইবার সাপোর্ট ইউনিটের সহায়তাও নিতে পারেন। অনলাইন প্রতারণা সাইবার নিরাপত্তা আইন ও দণ্ডবিধি উভয়ের অধীনে বিচার্য।

সূত্র: সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩; দণ্ডবিধি, ১৮৬০, ধারা ৪২০

কারও ছবি বা পরিচয় অনলাইনে ব্যবহার করা কি অপরাধ?

হ্যাঁ। অন্যের পরিচয় অপব্যবহার, ছদ্মবেশ ধারণ, বা সম্মতি ছাড়া তার ছবি প্রকাশ করে প্রতারণা বা ক্ষতি করা সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এর মধ্যে ভুয়া প্রোফাইল, পরিচয় জালিয়াতি এবং ব্যক্তিগত বা আপত্তিকর ছবি ছড়ানো অন্তর্ভুক্ত। ভুক্তভোগী সাইবার ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ ও কনটেন্ট অপসারণের আবেদন করতে পারেন।

সূত্র: সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩

সাইবার অভিযোগ কীভাবে ও কোথায় করব?

যত দ্রুত সম্ভব অভিযোগ করুন — দেরিতে প্রমাণ হারিয়ে যেতে পারে। সংরক্ষিত স্ক্রিনশট ও তথ্যসহ নিকটস্থ থানা, সাইবার ট্রাইব্যুনাল বা পুলিশের সাইবার ক্রাইম/সাইবার সাপোর্ট ইউনিটে অভিযোগ করতে পারেন। জমা দেওয়া সব কাগজের কপি রাখুন। ছবি ফাঁসের মতো জরুরি ক্ষতির ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দ্রুত অপসারণের অনুরোধ করা যায়।

সূত্র: সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩

আদালত BD আইনি তথ্য দেয়, আইনি পরামর্শ নয়। নির্দিষ্ট বিষয়ে একজন যোগ্য আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করুন। আইনি তথ্য, পরামর্শ নয়